ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে
শিরোনাম >>

দুপুরের খাবারের পরই ঘুমঘুম ভাব? ঝরঝরে থাকতে যা করবেন

ডেস্ক রিপোর্ট   |   শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   5 বার পঠিত

দুপুরের খাবারের পরই ঘুমঘুম ভাব? ঝরঝরে থাকতে যা করবেন

সকালটা বেশ চাঙা। কাজের চাপ থাকলেও ক্লান্তি নেই। কিন্তু দুপুরের খাবার শেষ করতেই যেন শরীরের সব শক্তি কমে আসে। চোখে ঘুমঘুম ভাব, শরীরে আলস্য, কাজে মনোযোগও কমে যায়। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অনেকের মনে হয়, দিনের শক্তি যেন শেষ!

এমন পরিস্থিতিতে চা বা কফির ওপর নির্ভর করেন অনেকে। তবে প্রতিদিন দুপুরের পর একই সমস্যা হলে বিষয়টি শুধু কম ঘুম বা ব্যস্ততার কারণে হচ্ছে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। খাবারের ধরন ও পরিমাণ, পর্যাপ্ত পানি পান এবং রাতের ঘুমের মানও এর সঙ্গে জড়িত হতে পারে।

খেজুরের সঙ্গে ঘি

হঠাৎ দুর্বল বা ক্লান্ত লাগলে অনেকে খেজুরের সঙ্গে সামান্য ঘি খান। খেজুরের প্রাকৃতিক শর্করা দ্রুত শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে। অন্যদিকে ঘিতে থাকা চর্বি খাবার থেকে পাওয়া শক্তি তুলনামূলক ধীরে ব্যবহারে সহায়তা করতে পারে।

তবে এটি সবার জন্য সমান উপকারী নয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা থাকলে নিয়মিত খেজুর ও ঘি খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

জাফরান দুধে কি মিলবে স্বস্তি?

ক্লান্তি কাটাতে অনেকে জাফরান মেশানো দুধ পান করেন। অল্প পরিমাণ জাফরান পানিতে ভিজিয়ে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়। তবে জাফরান দুধকে ক্লান্তি দূর করার নিশ্চিত উপায় হিসেবে না দেখে খাদ্যতালিকার একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করাই ভালো।

ক্লান্তি কমাতে দিনের সামগ্রিক খাবার, পর্যাপ্ত পানি পান এবং ভালো ঘুম—তিনটিকেই গুরুত্ব দিতে হবে।

রাতের খাবারের সময়েও নজর দিন

দুপুরের পরের ঝিমুনির সঙ্গে রাতের ঘুমেরও সম্পর্ক থাকতে পারে। রাতে দেরিতে কিংবা ঘুমানোর কাছাকাছি সময়ে ভারী খাবার খেলে কারও কারও ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এতে পরদিন ক্লান্তি ও ঘুমঘুম ভাব দেখা দিতে পারে।

তাই সম্ভব হলে ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগেই রাতের খাবার শেষ করা ভালো। প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে ঘুমানো ও জাগার অভ্যাসও ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে সহায়ক।

দুপুরের খাবার হোক পরিমিত

দুপুরে একসঙ্গে বেশি খাবার খেলে খাবারের পর ঝিমুনির অনুভূতি বাড়তে পারে। তাই খাবারের পরিমাণের পাশাপাশি পুষ্টির ভারসাম্যও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত খাবার এবং স্বাস্থ্যকর হালকা খাবারের অভ্যাস দিনের শক্তি ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে।

পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। শরীরে পানির ঘাটতি হলে তৃষ্ণা, মাথা ঘোরা ও ক্লান্তির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

দীর্ঘদিনের ক্লান্তিকে অবহেলা নয়

নিয়মিত অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ঝিমুনির কারণ শুধু খাবার হজমের সমস্যা নয়। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, পানিশূন্যতা, মানসিক চাপ ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি রক্তস্বল্পতা, ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা কিংবা ঘুমের কিছু সমস্যার কারণেও দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি হতে পারে।

তাই কয়েক সপ্তাহ ধরে একই সমস্যা চলতে থাকলে কিংবা ক্লান্তির কারণে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হলে শুধু চা-কফির ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে উপসর্গের কারণ জানতে চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষা বা অন্যান্য পরীক্ষা করতে পারেন।

Facebook Comments Box

Posted ৭:৪৪ এএম | শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

NSM Moyeenul Hasan Sajal

Editor & Publisher
Phone: +1(347)6598410
Email: protidinkar@gmail.com, editor@protidinkar.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।